সিলেট ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিলেটে ২৮০ রানে থামালো শ্রীলঙ্কা

ক্লিক সিলেট ডেস্ক
  • প্রকাশ: ১১:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪
  • / ২৮ বার পড়া হয়েছে
সিলেটে ২৮০ রানে থামালো শ্রীলঙ্কা

প্রথম সেশনে ৫৭ রানে ৫ উইকেট ফেলে লঙ্কানদের দ্রুত গুটিয়ে দেওয়ার আশায় ছিল বাংলাদেশ। চরম বিপর্যস্ত পরিস্থিতি থেকে দলকে টেনে নেন কামিন্দু মেন্ডিস আর ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। দুজনেই করেন সেঞ্চুরি, গড়েন ২০০ ছাড়ানো জুটি। শেষ সেশনে আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে দ্রুত প্রতিপক্ষকে থামিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে ২৮০ রানে অলআউট হয়েছে শ্রীলঙ্কা। লঙ্কান ইনিংসে মাত্র চার ব্যাটার পেরিয়েছেন দুই অঙ্ক। এরমধ্যে সমান ১০২ রান করে করেছেন ধনঞ্জয়া আর কামিন্দু। বাকি কেউ ২০ রানও করতে পারেননি।

প্রথম স্পেলে দুর্দান্ত শুরু এনে খালেদ আহমেদ ৭২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে সফলতম। শেষ সেশনে ৩ উইকেট নিয়ে অভিষেকে খরুচে বোলিংয়ের পরও প্রভাব রেখেছেন নাহিদ রানা। আরেক পেসার শরিফুল ইসলাম পেয়েছেন এক উইকেট। স্পিনারদের দিয়ে ৬৮ ওভারের মধ্যে ২৩ ওভার করান শান্ত। তাতে মিলেছে ১ উইকেট। সেটা পেয়েছেন তাইজুল।

ঘাসের উইকেটে তিন পেসার নিয়ে টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নিয়ে দুর্দান্ত শুরু পায় বাংলাদেশ। খালেদের তোপে প্রথম সেশনে ৫৭ রানে শ্রীলঙ্কার পাঁচ উইকেট ফেলে দেয়। পরে কামিন্দু মেন্ডিস ও ধনঞ্জয়া ডি সিলভার দুই সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা।

দ্বিতীয় সেশন পুরোটাই ব্যাট করেন তারা, কোন উইকেট হারিয়ে লঙ্কানরা যোগ করে আরও ১২৫ রান। ২০২ রানের লম্বা জুটির পর সাফল্য পায় বাংলাদেশ।

চা-বিরতির পর দ্রুতই তিন অঙ্কের দিকে ছুটিতে থাকা ধনঞ্জয়া  ৯৫ রানে আউট হতে পারতেন। তাইজুল ইসলামের আর্ম ডেলিভারিতে পরাস্ত হয়ে পায়ে লাগান তিনি। জোরালো আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউ নেয়নি বাংলাদেশ। রিপ্লেতে দেখা যায় রিভিউ নিলে থেমে যেত ধনঞ্জয়ার ইনিংস। তাতে ক্ষতি তেমন হয়নি। সেঞ্চুরির পরই তিনি ফিরে যান।

বাংলাদেশকে হতাশায় ডুবানো জুটিটি অবশ্য থামান নাহিদ। এলোমেলো বল করতে থাকা ডানহাতি পেসার মাঝেমধ্যে দু’একটি  ভালো  ডেলিভারি দিচ্ছিলেন। তার একটিতে কাটা পড়েন কামিন্দু। আগের বলেই চার মেরে সেঞ্চুরিতে পৌঁছানো বাঁহাতি ব্যাটার পরের বলে খোঁচা মেরে জমা পড়েন লিটনের গ্লাভসে।

৫৭ রানে ৫ উইকেট পড়ার পর ৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে মাত্র ২৪৫ বলে ২০২ রান যোগ করেন ধনঞ্জয়া-কামিন্দু।  খানিক পর সেঞ্চুরি করা ধনঞ্জয়াও শিকার হন নাহিদের। নাহিদকে মারতে গিয়ে ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে থামেন সেঞ্চুরি করা লঙ্কান কাপ্তান।

ওই স্পেলে প্রভাত জয়াসুরিয়াকেও উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানিয়ে তৃতীয় শিকার ধরেন অভিষিক্ত তরুণ। শেষ দুই উইকেট ফেলতে খুব বেশি সময় নেয়নি স্বাগতিক দল।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেটে ২৮০ রানে থামালো শ্রীলঙ্কা

প্রকাশ: ১১:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪
সিলেটে ২৮০ রানে থামালো শ্রীলঙ্কা

প্রথম সেশনে ৫৭ রানে ৫ উইকেট ফেলে লঙ্কানদের দ্রুত গুটিয়ে দেওয়ার আশায় ছিল বাংলাদেশ। চরম বিপর্যস্ত পরিস্থিতি থেকে দলকে টেনে নেন কামিন্দু মেন্ডিস আর ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। দুজনেই করেন সেঞ্চুরি, গড়েন ২০০ ছাড়ানো জুটি। শেষ সেশনে আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে দ্রুত প্রতিপক্ষকে থামিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে ২৮০ রানে অলআউট হয়েছে শ্রীলঙ্কা। লঙ্কান ইনিংসে মাত্র চার ব্যাটার পেরিয়েছেন দুই অঙ্ক। এরমধ্যে সমান ১০২ রান করে করেছেন ধনঞ্জয়া আর কামিন্দু। বাকি কেউ ২০ রানও করতে পারেননি।

প্রথম স্পেলে দুর্দান্ত শুরু এনে খালেদ আহমেদ ৭২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে সফলতম। শেষ সেশনে ৩ উইকেট নিয়ে অভিষেকে খরুচে বোলিংয়ের পরও প্রভাব রেখেছেন নাহিদ রানা। আরেক পেসার শরিফুল ইসলাম পেয়েছেন এক উইকেট। স্পিনারদের দিয়ে ৬৮ ওভারের মধ্যে ২৩ ওভার করান শান্ত। তাতে মিলেছে ১ উইকেট। সেটা পেয়েছেন তাইজুল।

ঘাসের উইকেটে তিন পেসার নিয়ে টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নিয়ে দুর্দান্ত শুরু পায় বাংলাদেশ। খালেদের তোপে প্রথম সেশনে ৫৭ রানে শ্রীলঙ্কার পাঁচ উইকেট ফেলে দেয়। পরে কামিন্দু মেন্ডিস ও ধনঞ্জয়া ডি সিলভার দুই সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা।

দ্বিতীয় সেশন পুরোটাই ব্যাট করেন তারা, কোন উইকেট হারিয়ে লঙ্কানরা যোগ করে আরও ১২৫ রান। ২০২ রানের লম্বা জুটির পর সাফল্য পায় বাংলাদেশ।

চা-বিরতির পর দ্রুতই তিন অঙ্কের দিকে ছুটিতে থাকা ধনঞ্জয়া  ৯৫ রানে আউট হতে পারতেন। তাইজুল ইসলামের আর্ম ডেলিভারিতে পরাস্ত হয়ে পায়ে লাগান তিনি। জোরালো আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউ নেয়নি বাংলাদেশ। রিপ্লেতে দেখা যায় রিভিউ নিলে থেমে যেত ধনঞ্জয়ার ইনিংস। তাতে ক্ষতি তেমন হয়নি। সেঞ্চুরির পরই তিনি ফিরে যান।

বাংলাদেশকে হতাশায় ডুবানো জুটিটি অবশ্য থামান নাহিদ। এলোমেলো বল করতে থাকা ডানহাতি পেসার মাঝেমধ্যে দু’একটি  ভালো  ডেলিভারি দিচ্ছিলেন। তার একটিতে কাটা পড়েন কামিন্দু। আগের বলেই চার মেরে সেঞ্চুরিতে পৌঁছানো বাঁহাতি ব্যাটার পরের বলে খোঁচা মেরে জমা পড়েন লিটনের গ্লাভসে।

৫৭ রানে ৫ উইকেট পড়ার পর ৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে মাত্র ২৪৫ বলে ২০২ রান যোগ করেন ধনঞ্জয়া-কামিন্দু।  খানিক পর সেঞ্চুরি করা ধনঞ্জয়াও শিকার হন নাহিদের। নাহিদকে মারতে গিয়ে ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে থামেন সেঞ্চুরি করা লঙ্কান কাপ্তান।

ওই স্পেলে প্রভাত জয়াসুরিয়াকেও উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানিয়ে তৃতীয় শিকার ধরেন অভিষিক্ত তরুণ। শেষ দুই উইকেট ফেলতে খুব বেশি সময় নেয়নি স্বাগতিক দল।