সিলেট ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক যেন এক মৃ ত্যু কূপ

ক্লিক সিলেট ডেস্ক
  • প্রকাশ: ১১:১৯:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪
  • / ২৩ বার পড়া হয়েছে
সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক যেন এক মৃ ত্যু কূপ

সিলেট-তামাবিল আঞ্চলিক মহাসড়ক যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। বছরের শুরু থেকে আড়াই মাসে ঝরেছে ১৪ প্রাণ। এই সময়ে মহাসড়কটিতে অন্তত ২০টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। যেগুলোতে আহত হয়েছেন অনেকে। এসব দুর্ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা একাধিকবার সড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সিলেট সূত্রে জানা গেছে, সিলেট জেলায় নিবন্ধিত লেগুনার সংখ্যা ২ হাজার ১০৪, যার কোনোটিরই ফিটনেস নেই। এসব লেগুনা চালাচ্ছে শিশু ও কিশোর বয়সীরা। পিকআপ ভ্যানের সংখ্যা রয়েছে ৪ হাজার ৬৮৬। এগুলোর মধ্যে কিছুসংখ্যকের ফিটনেস সনদ নেই। মহাসড়কে এসব যানবাহনের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।

বিআরটিএ সিলেটের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কটিতে অপ্রাপ্তবয়স্ক চালক বেশি দেখা যায়, ফিটনেসবিহীন হিউম্যান হলার (লেগুনা), অতিরিক্ত গতিতে যানবাহন চালানো ও অনিবন্ধিত সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাতায়াত বেশি। এগুলোই মহাসড়কটিতে দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন ওই কর্মকর্তা।

গত সোমবার দুপুরে মহাসড়কের দরবস্ত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কার্যালয়ের সামনে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। লেগুনা ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয়জন নিহত হন। এর এক দিন পরই গত মঙ্গলবার রাতে চিকনাগুল এলাকায় পিকআপের চাপায় অজ্ঞাত ব্যক্তির প্রাণ যায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সিলেট-তামাবিল আঞ্চলিক মহাসড়কের জৈন্তাপুরের ৪ নম্বর বাংলাবাজার রাংপানি এলাকায় জাফলংগামী একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। এতে প্রাইভেট কারে থাকা চার তরুণের মৃত্যু হয়। নিহত চার তরুণ জৈন্তাপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। ৫ মার্চ রাতে একই মহাসড়কের মোকামপুঞ্জি এলাকায় তিনটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয় একটি পিকআপ। এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুই তরুণের মৃত্যু হয়। ৮ মার্চ দুপুরে জৈন্তাপুরের ওমনপুর এলাকায় একটি পর্যটকবাহী বাসের সঙ্গে পাথরবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক শিশুর মৃত্যু হয়।

এ ছাড়া ১০ মার্চ সকালে মহাসড়কের সারিঘাট এলাকায় ভারতীয় চিনিবোঝাই একটি পিকআপ উল্টে যায়। এ সময় পিকআপটিতে থাকা ৩০ বস্তা ভারতীয় চিনি ও পিকআপটি জব্দ করে পুলিশ। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মহাসড়কের জৈন্তাপুরের বাঘের সড়ক এলাকায় ভারতীয় মিনি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের দোকানে প্রবেশ করে। এতে দুজন গুরুতর আহত হন। এমন আরও দুর্ঘটনার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
মহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধে একাধিকবার সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় লোকজন।

 

সবশেষ মঙ্গলবার সিলেটের জৈন্তাপুরে তিন দফা দাবিতে সাড়ে চার ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ হয়। পরে হতাহত পরিবারের সদস্য, প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর কর্মসূচি স্থগিত করেন তাঁরা। বিক্ষোভকারীদের তিনটি দাবি হলো, সোমবার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছয়জনের পরিবারকে পরিবহন শ্রমিকনেতাদের সমবেদনা জানানো, সিলেট-তামাবিল আঞ্চলিক মহাসড়কে চোরাচালানের পণ্য পরিবহন বন্ধ ও মহাসড়কে লাইসেন্সবিহীন কোনো চালককে যানবাহন চালাতে না দেওয়া।

অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ঘাটেরচটি এলাকার বাসিন্দা আবু রুহেল জানান, লেগুনার সঙ্গে যে পিকআপের সংঘর্ষ হয়েছে, সেটি গরুবোঝাই ছিল। গরু অবৈধ পথে ভারত থেকে আনা হতে পারে। এ জন্যই দ্রুতগতিতে চলতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লেগুনার সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সড়কে যাতে চোরাই মালামাল পরিবহন না হয়, সে বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ আশা করেন তাঁরা।

জৈন্তাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল আহমদ বলেন, সাধারণ মানুষ যেটা বলছেন, সেটি ঠিক। সড়কে চোরাই মালামাল পরিবহনের কারণে যানবাহনগুলো দ্রুতগতিতে চলাচল করছে। অন্যদিকে অদক্ষ চালকেরা অনেক সময় নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করছেন। এতে দুর্ঘটনা বাড়ছে। এ জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

বিষয়টি নজরে আনা হলে সিলেট জেলা ট্রাক-পিকআপ কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. দিলু মিয়া জানান, তাঁর সংগঠনের সবাইকে ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি না চালাতে বলা হয়েছে। অবৈধ মালামাল পরিবহন না করতেও আহ্বান জানানো হয়েছে। এরপরও কোনো শ্রমিক অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়ালে, সেটির দায় সংগঠন নেবে না বলে উল্লেখ করেন।

দুর্ঘটনা রোধে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে জেলা পুলিশ। এর অংশ হিসেবে মহাসড়কটিতে চলাচল করা যানবাহনগুলোর চালকদের সচেতন করতে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে মাঠে নেমেছে তারা। কর্মসূচিতে ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা, সড়ক পরিবহন আইন সম্পর্কে অবহিত করা হচ্ছে চালকদের।

এ ছাড়া যানবাহনের কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে। লাইসেন্স না থাকলে মামলা হচ্ছে; আটক করা হচ্ছে ফিটনেসবিহীন গাড়ি। এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম।

চোরাই মালামাল পরিবহনের কারণে দ্রুতগতিতে যানবাহন চলাচলের বিষয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, চোরাই মালামাল ভারত সীমান্ত এলাকা দিয়ে আসছে এমন তথ্য জানানো হচ্ছে। আর সীমান্ত এলাকার দায়িত্ব বিজিবি সদস্যদের। সীমান্ত এলাকায় কঠোর হলে এমন সমস্যা হতো না। এরপরও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশ নিয়মিত কাজ করছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক যেন এক মৃ ত্যু কূপ

প্রকাশ: ১১:১৯:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪
সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক যেন এক মৃ ত্যু কূপ

সিলেট-তামাবিল আঞ্চলিক মহাসড়ক যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। বছরের শুরু থেকে আড়াই মাসে ঝরেছে ১৪ প্রাণ। এই সময়ে মহাসড়কটিতে অন্তত ২০টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। যেগুলোতে আহত হয়েছেন অনেকে। এসব দুর্ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা একাধিকবার সড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সিলেট সূত্রে জানা গেছে, সিলেট জেলায় নিবন্ধিত লেগুনার সংখ্যা ২ হাজার ১০৪, যার কোনোটিরই ফিটনেস নেই। এসব লেগুনা চালাচ্ছে শিশু ও কিশোর বয়সীরা। পিকআপ ভ্যানের সংখ্যা রয়েছে ৪ হাজার ৬৮৬। এগুলোর মধ্যে কিছুসংখ্যকের ফিটনেস সনদ নেই। মহাসড়কে এসব যানবাহনের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।

বিআরটিএ সিলেটের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কটিতে অপ্রাপ্তবয়স্ক চালক বেশি দেখা যায়, ফিটনেসবিহীন হিউম্যান হলার (লেগুনা), অতিরিক্ত গতিতে যানবাহন চালানো ও অনিবন্ধিত সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাতায়াত বেশি। এগুলোই মহাসড়কটিতে দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন ওই কর্মকর্তা।

গত সোমবার দুপুরে মহাসড়কের দরবস্ত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কার্যালয়ের সামনে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। লেগুনা ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয়জন নিহত হন। এর এক দিন পরই গত মঙ্গলবার রাতে চিকনাগুল এলাকায় পিকআপের চাপায় অজ্ঞাত ব্যক্তির প্রাণ যায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সিলেট-তামাবিল আঞ্চলিক মহাসড়কের জৈন্তাপুরের ৪ নম্বর বাংলাবাজার রাংপানি এলাকায় জাফলংগামী একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। এতে প্রাইভেট কারে থাকা চার তরুণের মৃত্যু হয়। নিহত চার তরুণ জৈন্তাপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। ৫ মার্চ রাতে একই মহাসড়কের মোকামপুঞ্জি এলাকায় তিনটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয় একটি পিকআপ। এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুই তরুণের মৃত্যু হয়। ৮ মার্চ দুপুরে জৈন্তাপুরের ওমনপুর এলাকায় একটি পর্যটকবাহী বাসের সঙ্গে পাথরবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক শিশুর মৃত্যু হয়।

এ ছাড়া ১০ মার্চ সকালে মহাসড়কের সারিঘাট এলাকায় ভারতীয় চিনিবোঝাই একটি পিকআপ উল্টে যায়। এ সময় পিকআপটিতে থাকা ৩০ বস্তা ভারতীয় চিনি ও পিকআপটি জব্দ করে পুলিশ। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মহাসড়কের জৈন্তাপুরের বাঘের সড়ক এলাকায় ভারতীয় মিনি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের দোকানে প্রবেশ করে। এতে দুজন গুরুতর আহত হন। এমন আরও দুর্ঘটনার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
মহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধে একাধিকবার সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় লোকজন।

 

সবশেষ মঙ্গলবার সিলেটের জৈন্তাপুরে তিন দফা দাবিতে সাড়ে চার ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ হয়। পরে হতাহত পরিবারের সদস্য, প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর কর্মসূচি স্থগিত করেন তাঁরা। বিক্ষোভকারীদের তিনটি দাবি হলো, সোমবার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছয়জনের পরিবারকে পরিবহন শ্রমিকনেতাদের সমবেদনা জানানো, সিলেট-তামাবিল আঞ্চলিক মহাসড়কে চোরাচালানের পণ্য পরিবহন বন্ধ ও মহাসড়কে লাইসেন্সবিহীন কোনো চালককে যানবাহন চালাতে না দেওয়া।

অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ঘাটেরচটি এলাকার বাসিন্দা আবু রুহেল জানান, লেগুনার সঙ্গে যে পিকআপের সংঘর্ষ হয়েছে, সেটি গরুবোঝাই ছিল। গরু অবৈধ পথে ভারত থেকে আনা হতে পারে। এ জন্যই দ্রুতগতিতে চলতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লেগুনার সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সড়কে যাতে চোরাই মালামাল পরিবহন না হয়, সে বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ আশা করেন তাঁরা।

জৈন্তাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল আহমদ বলেন, সাধারণ মানুষ যেটা বলছেন, সেটি ঠিক। সড়কে চোরাই মালামাল পরিবহনের কারণে যানবাহনগুলো দ্রুতগতিতে চলাচল করছে। অন্যদিকে অদক্ষ চালকেরা অনেক সময় নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করছেন। এতে দুর্ঘটনা বাড়ছে। এ জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

বিষয়টি নজরে আনা হলে সিলেট জেলা ট্রাক-পিকআপ কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. দিলু মিয়া জানান, তাঁর সংগঠনের সবাইকে ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি না চালাতে বলা হয়েছে। অবৈধ মালামাল পরিবহন না করতেও আহ্বান জানানো হয়েছে। এরপরও কোনো শ্রমিক অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়ালে, সেটির দায় সংগঠন নেবে না বলে উল্লেখ করেন।

দুর্ঘটনা রোধে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে জেলা পুলিশ। এর অংশ হিসেবে মহাসড়কটিতে চলাচল করা যানবাহনগুলোর চালকদের সচেতন করতে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে মাঠে নেমেছে তারা। কর্মসূচিতে ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা, সড়ক পরিবহন আইন সম্পর্কে অবহিত করা হচ্ছে চালকদের।

এ ছাড়া যানবাহনের কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে। লাইসেন্স না থাকলে মামলা হচ্ছে; আটক করা হচ্ছে ফিটনেসবিহীন গাড়ি। এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম।

চোরাই মালামাল পরিবহনের কারণে দ্রুতগতিতে যানবাহন চলাচলের বিষয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, চোরাই মালামাল ভারত সীমান্ত এলাকা দিয়ে আসছে এমন তথ্য জানানো হচ্ছে। আর সীমান্ত এলাকার দায়িত্ব বিজিবি সদস্যদের। সীমান্ত এলাকায় কঠোর হলে এমন সমস্যা হতো না। এরপরও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশ নিয়মিত কাজ করছে।